বিংশ শতাব্দীর বিশ্বমান শিক্ষা বিস্তার, সুপ্ত প্রতিভার কালোত্তীর্ণ বিকাশন, জ্ঞানানুশীলন ও মানবিক মানব গড়ার লক্ষ্যে এক দল বিদ্যানুরাগী ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের উত্তর পশ্চিম প্রান্তের এস এন্ড টি ইউনিট এবং শহীদ মোস্তফা কামাল লাইনের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন মানিকদী, মাটিকাটা, বালুঘাট, বারনটেক ও বাউনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার প্রবেশদ্বারে ১.৬৫ একর জমিতে আধুনিক এবং নান্দনিক এই শিক্ষাঙ্গনটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা এর স্বীকৃতি লাভ করে। সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়টি অধিগ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি মুক্ত জ্ঞানের অবিরাম ধারা প্রবাহে আলোকিত সমাজ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। প্রতিবছরই বিদ্যালয় থেকে শত শত শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা সম্পন্ন করে দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। সেখান থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে বর্তমানে তারা প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ অলংকৃত করে দেশসেবায় অনন্য ভূমিকা পালন করছে।
বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রভাতী ও দিবা নামে দু’টি শিফটে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৫০০ জন। বিদ্যালয়টির পিইসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খুবই সন্তোষজনক। পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয়। জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ,বিএনসিসি,গার্ল গাইড,স্কাউটসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন রূপায়ণে সরকারের গৃহীত যুগান্তকারী পদক্ষেপের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম ও সুদক্ষ জনসম্পদ গঠনের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে কর্মরত প্রত্যেকেই নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। অত্র বিদ্যালয়ের একদল সুযোগ্য, নিরলস পরিশ্রমী ও তারুণ্যদীপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার সার্বিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি উত্তরোত্তর সাফল্যের স্বর্ণ শিখর পানে সুদৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে।